Trade License Issue & Renewal Fee 2023 | ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন  ফি ২০২৩

Trade License Issue and Renewal Fee 2023 | ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন  ফি ২০২৩


ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত যে কোন এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট আঞ্চলিক অফিস থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা আইনানুগ বাধ্যতামূলক।

১. প্রথমে জানতে হবে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ঢাকা উত্তর বা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কোন অঞ্চলের কোন ওয়ার্ডে অবস্থিত। ধরুন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ঢাকা উত্তরার ১১ নং সেক্টরে, তাহলে আপনার ওয়ার্ড নং-৫১ এবং অঞ্চল-০৬। আপনাকে অঞ্চল- ০৬ এর অফিস রাজস্ব বিভাগের (অঞ্চল-৬, বাড়ি-২০, রোড-১৩/ডি, সেক্টর-৬, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০)। ০৩ তলায় এসে লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণ এলাকাকে মোট ১০ টি অঞ্চলে ভাগ করে সেবা প্রদান করা হয়। অঞ্চলগুলোর অফিসের ঠিকানা ও আওতাধীন ওয়ার্ডের বিস্তারিত তালিকা দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক অফিস-

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড ও এলাকাসমূহ-

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক অফিস-

২. আবেদন পত্রের সাথে ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভাড়ার চুক্তিনামা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ বাড়ীর করের রসিদ, নিজের না হলে জমির খাজনার রশিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে। সিটি করপোরেশন- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যাচাই-বাচাই করার পর অনুমতি দিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইসেন্স ফি পরিশোধ করতে হবে। এবং লাইসেন্স ফি পরিশোধের পর অফিসিয়াল কার্যক্রম সম্পন্ন করে লাইসেন্স প্রদান করা হবে।

ট্রেড লাইসেন্স ফি

ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের ধরনের ওপর নির্ভর করে লাইসেন্স ফি নির্ধারিত হয়। এই ফি সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত, একটি লাইসেন্স পেতে তিন থেকে সাত কর্ম দিবস সময় লাগতে পারে। সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়সের যেকোনো নাগরিক ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স এর ফি এর তালিকা দেখতে  নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

ধরণ অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্সের ফি এর তালিকা

৩. অংশীদারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলে অংশীদারী চুক্তিপত্রের ফটোকপি, অংশীদারদের প্রত্যেকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি আবেদনের সাথে দিতে হবে। অংশীদারী চুক্তিপত্র অবশ্যই ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকার স্ট্যাম্পে সম্পন্ন করে দাখিল করতে হবে।

৪. প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে। প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান বা স্থাপনার নকশাসহ ওই স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামাও দাখিল করতে হবে। এসব ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উপরের সব দলিলের সঙ্গে পরিবেশ সংক্রান্ত অনাপত্তিপত্র, প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে। ক্লিনিক বা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন, ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি, রিকুটিং এজেন্সির জন্য মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স, অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স, ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এ্যাভিয়েশনের অনুমতিপত্র, সিএনজি স্টেশন বা দাহ্য পদার্থের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর বা ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post